NISHAAN

All Campus Units

College Street Campus Unit

ভয়ের রাজনীতির বিরুদ্ধে সংগঠনের রাজনীতি, এই আমাদের অবস্থান। আজকের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস এমন এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের অন্তর্ঘাত, থ্রেট কালচার ও বহিরাগত দাপটকে ‘স্বাভাবিক’ করে তোলার চেষ্টা চলছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠিত হওয়ার অধিকার ও গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতিকে পিষে দিতে নিয়মিত হুমকি, সন্ত্রাস ও ভয় দেখানোর রাজনীতি চালু করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এসএফআই কলেজ স্ট্রিট ইউনিট দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে বাম রাজনীতিই একমাত্র প্রকৃত বিকল্প, যে রাজনীতি ভয়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, প্রশ্ন করতে শেখায় এবং সংগ্রামের মধ্য দিয়ে পরিবর্তনের পথ নির্মাণ করে। প্রতিকূলতার মাঝেও কলেজ স্ট্রিটের কমরেডরা বারবার প্রমাণ করেছেন, সাহসী ও নীতিগত রাজনীতি এখনও সম্ভব। ২০২৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত আমরা ৫০০-রও বেশি সদস্যপদ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। ইংরেজি, কমার্স সহ আরও বহু বিভাগে যেসব বিভাগে আগে আমাদের সংগঠনের তেমন কোনও জোরালো উপস্থিতি ছিল না, সেসব ক্ষেত্রেও আমরা ধারাবাহিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাজের মাধ্যমে নতুন অ্যাক্টিভিস্ট ও সংগঠক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সংগঠনের পরিসর যেমন বিস্তৃত হয়েছে, তেমনই ক্যাম্পাসজুড়ে গণতান্ত্রিক ও সংগ্রামী ছাত্ররাজনীতির ভিত আরও মজবুত হয়েছে। ‘Study and Struggle’, এই নীতিকে সামনে রেখে আমরা পড়াশোনার প্রশ্নকে সংগ্রামের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করেছি। এর ফলেই বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী আজ এসএফআই-কে একমাত্র ভরসাযোগ্য ও বিকল্প ছাত্ররাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখছে। শিক্ষা বাণিজ্যিকীকরণ, ক্যাম্পাসে অনিরাপত্তা ও মতাদর্শিক দমননীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এই প্রক্রিয়া আমাদের আন্দোলনের ভিত্তিকে আরও মজবুত করেছে। কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার একটি দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে আমরা সুকান্ত ভট্টাচার্য-এর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে একটি সাহিত্যসভা আয়োজন করি। বিভিন্ন বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন, নিজেদের লেখা জমা দেন এবং সমকালীন শোষণ, ফ্যাসিবাদ ও প্রতিবাদের ভাষাকে নতুনভাবে নির্মাণ করেন। এই সাহিত্যসভা শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল না; এটি ছিল রাজনৈতিক চেতনার এক সম্মিলিত প্রকাশ যেখানে কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে বিপ্লবী ভাবনার পুনর্নির্মাণ ঘটেছে। আমাদের ক্যাম্পাস ওয়াল ম্যাগাজিন ‘কিশলয়’ আজ কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের এক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। সমস্ত বিভাগ থেকে ছাত্রছাত্রীরা এখানে তাঁদের লেখা, আঁকা ছবি, পোস্টার ও শিল্পকর্মের মাধ্যমে সত্য, প্রতিবাদ ও স্বপ্নকে দৃশ্যমান করেন। আমরা বিশ্বাস করি, সংস্কৃতি কোনও নিরপেক্ষ পরিসর নয়; এটি শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামের এক শক্তিশালী অস্ত্র। তাই ‘কিশলয়’-এর মাধ্যমে আমরা সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সামগ্রিক বিপ্লবী আন্দোলনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গড়ে তুলছি। ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে এসএফআই কলেজ স্ট্রিট ইউনিট আপসহীন। ৯ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ছাত্রী কনভেনশন ছিল সেই রাজনৈতিক অবস্থানেরই প্রকাশ। সমাজে নারী-নিরাপত্তা যখন গভীর সংকটে, ক্যাম্পাসে যখন হেনস্তা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে, তখন এই কনভেনশন এক যৌথ বার্তা দেয় ছাত্র ও ছাত্রী একসঙ্গে দাঁড়িয়ে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও সমতার ক্যাম্পাস নির্মাণ করবে। এখানে ছাত্রীদের অভিজ্ঞতা, প্রশ্ন ও দাবি সামনে এসেছে; একই সঙ্গে পুরুষ সহপাঠীদের দায়িত্ববোধ ও সহযোদ্ধা হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকারও স্পষ্ট হয়েছে। কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাস কোনও সাধারণ ভূখণ্ড নয় এটি ইতিহাসের ভার বহন করে। এই মাটি বীণা দাস, বারীন্দ্রকুমার ঘোষ এবং প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার-এর মতো বিপ্লবীদের স্মৃতি ও উত্তরাধিকার বহন করে। সেই ঐতিহ্য আমাদের কাছে কেবল অতীতের গৌরব নয়; এটি বর্তমান সংগ্রামের দিশা। এই ঐতিহ্যকে পাথেয় করেই এসএফআই-এর ছাত্রছাত্রীরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে তীব্রতর করছে যাতে বর্ণ, জাতি, শ্রেণি ও লিঙ্গ নির্বিশেষে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর শিক্ষা, মতপ্রকাশ ও সংগঠনের অধিকার সুনিশ্চিত হয়। আমরা বিশ্বাস করি, ক্যাম্পাসকে মুক্ত করতে হলে কেবল নির্বাচনী অঙ্ক নয় প্রয়োজন ধারাবাহিক রাজনৈতিক চর্চা, সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ ও গণতান্ত্রিক ঐক্য। ভয়ের সংস্কৃতির বিপরীতে আমরা দাঁড় করাচ্ছি সংহতির সংস্কৃতি; নিঃশব্দতার বিপরীতে প্রশ্ন করার সাহস। কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসে এসএফআই-এর এই লড়াই আসলে বৃহত্তর সমাজ পরিবর্তনের লড়াইয়েরই অংশ যেখানে শিক্ষা হবে মুক্তির পথ, আর ছাত্ররাজনীতি হবে গণতন্ত্রের অগ্রদূত। সংগঠিত ছাত্রসমাজই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ, এই বিশ্বাস নিয়েই আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত।


Rajabazar Science College Campus Unit

রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ বলতেই শুরুতেই মনে ঠিক কী ভেসে ওঠে?

সেই শতাব্দীপ্রাচীন লাল ইটের বিশালাকায় সাদা দালান? নাকি ল্যাবরেটরির ভেতরে টেস্টটিউবে রাসায়নিকের বিক্রিয়া আর জটিল সব গাণিতিক সমীকরণ? হয়তো অনেকের মনে পড়ে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বা সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সেই চিরচেনা গম্ভীর মুখচ্ছবি! কিন্তু এই চেনা ছবির আড়ালে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের করিডোরগুলোতে মিশে আছে আরও এক লড়াকু ইতিহাস,যা কেবল বিজ্ঞানের আবিষ্কারে সীমাবদ্ধ নয়, বরং যা মিশে আছে মিছিলে মিছিলে উচ্চকিত স্লোগানে, শূন্য থেকে লড়াই শুরু করে এক প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের ভিত গড়ার রক্তমাংসের গল্পে।

তাই রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ বা রাসবিহারী শিক্ষা প্রাঙ্গণের ইতিহাস ঘাটলে কেবল ইট-পাথরের কোনো স্থাপত্যের বিবরণ নয়, বরং পাওয়া যাবে বাঙালির মেধা, স্বাধিকার আন্দোলন এবং প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতির এক অবিচ্ছেদ্য মহাকাব্য। প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি ধূলিকণায় মিশে আছে ঔপনিবেশিক শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে বিজ্ঞানের আলোয় স্বনির্ভর হওয়ার এক অদম্য জেদ। সাল ১৯১৪ , যখন স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, তখন তাঁর সামনে কোনো সরকারি অনুদান ছিল না,ছিল কেবল স্যার তারকনাথ পালিত ও স্যার রাসবিহারী ঘোষের মতো মণীষীদের নিঃস্বার্থ দান। সেই শুরু থেকেই রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ আসলে একটি মুক্তাঞ্চল,যেখানে বিজ্ঞানের সাধনা আর দেশের মুক্তি আন্দোলন সমান্তরালভাবে চলেছে। আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় যখন এই কলেজের ল্যাবরেটরিতে বসে রসায়নের জটিল সূত্র মেলাতেন, তখন তাঁর মনের গহীনে থাকতো স্বদেশী শিল্পের স্বপ্ন। এই জাতীয়তাবাদী ভাবধারা থেকেই জন্ম নিয়েছিল রাজাবাজারের সেই বিশেষ সংস্কৃতি, যা পরবর্তীকালে ছাত্র আন্দোলনের উর্বর জমিতে পরিণত হয়।

এই ক্যাম্পাসের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে SFI (ভারতের ছাত্র ফেডারেশন) রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ ইউনিটের লড়াইটি এক রূপকথার মতো। সায়েন্স কলেজের মতো একটি জায়গায়, যেখানে পাঠ্যক্রমের চাপ আর ল্যাবরেটরির ব্যস্ততা আকাশচুম্বী, সেখানে বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপন করা ছিল আক্ষরিক অর্থেই ‘শূন্য থেকে শুরু’ করার মতো এক দুঃসাহসিক কাজ। সত্তরের দশকের সেই অন্ধকার ও উত্তাল সময়ে, যখন প্রগতিশীল চিন্তার ওপর নেমে আসছিল রাষ্ট্রীয় ও অগণতান্ত্রিক আক্রমণ, তখন একদল স্বপ্নবাজ ছাত্র ল্যাবরেটরির করিডোরে দাঁড়িয়ে প্রথম স্লোগান তুলেছিলেন। তাঁদের হাতে না ছিলো কোনো ক্ষমতা না ছিলো কোনো সুসজ্জিত অফিস। তাঁদের সম্বল ছিল কেবল মার্ক্সবাদী দর্শনের প্রতি অগাধ আস্থা আর সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। এই ছাত্ররাই ল্যাবরেটরির টেস্টটিউব আর থিওরি বইয়ের পাতায় নিজেদের বন্দি না রেখে বেছে নিয়েছিলেন রাজপথের লড়াইকে। তাঁরা বুঝিয়েছিলেন যে, একজন ভালো বিজ্ঞানী হওয়ার আগে একজন সচেতন নাগরিক হওয়া প্রয়োজন। শূন্য থেকে শুরু হওয়া সেই ছোট ছোট গোপন বৈঠকগুলোই ধীরে ধীরে এক শক্তিশালী সংগঠনের রূপ নেয়, যা আজ রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

শুরুতেই লড়াইয়ের সবচেয়ে মানবিক দিকটি ছিল সাধারণ ছাত্রদের সাথে SFI ইউনিটের একাত্মতা। তাঁরা কেবল রাজনৈতিক স্লোগান দেননি, বরং ছাত্রদের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দরিদ্র অথচ মেধাবী ছাত্ররা যখন কলকাতায় এসে থাকার জায়গা পেতেন না, তখন এই ইউনিটের কর্মীরাই নিজেদের হস্টেলের সিট ভাগ করে দিতেন। ল্যাবরেটরির আধুনিকীকরণ থেকে শুরু করে লাইব্রেরির ফি মকুবের লড়াই, সবক্ষেত্রেই SFI-এর কর্মীরা সামনের সারিতে থাকতেন। তাঁদের এই ‘শূন্য থেকে শুরু’ করা লড়াইটি আসলে ছিল আভিজাত্যের দেয়াল ভেঙে সাধারণের সাথে মেশার লড়াই। তাঁরা প্রমাণ করেছিলেন যে, রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের মতো প্রতিষ্ঠানে কেবল বিত্তবানরা পড়বে না, বরং সাধারণ কৃষকের সন্তানও এখানে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখবে। এই সাম্যের লড়াইটিই রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ ইউনিটের আসল পরিচয়। এই কালচার বহন করছি আমরা কিংবা আমাদের অনুজরা। এই সংস্কৃতি বদলাবে না কোনোকালেই!!

২০২৪ ডিসেম্বর, সাল থেকে ইউনিট সম্মেলন হওয়ার পর, কলেজে সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলার চেষ্টা শুরু হয়! রোজকার পোস্টারিং, ক্লাস ক্যাম্পেইন, মিটিংয়ের মধ্যে দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সংযুক্তি গড়ার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে সদস্য সংখ্যা বাড়ে এবং ২০২৫ সালে ডিসেম্বরে নতুন কলেজ ইউনিট গঠিত হয়। বর্তমানে ইউনিটে প্রায় ৩০ জনের অধিক সদস্য রয়েছেন ইউনিট ও এক্সটেন্ডেড মিলিয়ে এবং নিয়মিত ক্লাস প্রতিনিধিত্ব, সভা, পাঠচক্র ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হচ্ছে।

রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের মাটি, লাল দুর্গের লড়াই করা মাটি। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল, আঞ্চলিক কমিটির ২৩ ঘণ্টার সেক্রেটারি ঘেরাওয়ের পড় কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটা ক্যাম্পাসের ইউনিয়ন রুমে তালা পড়ে! রাজাবাজারের মাটি শিখিয়েছিল সেইদিন এই লড়াই!

SFI, রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ ইউনিট বিশ্বাস করে, শিক্ষা কোনও পণ্য নয়, এটি মৌলিক অধিকার। সংগঠন চায় এমন একটি শিক্ষাঙ্গন গড়ে তুলতে যেখানে যুক্তি, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং মানবিক মূল্যবোধ চর্চিত হবে। ভবিষ্যতে সংগঠন তার লড়াইকে আরও মজবুত করে ছাত্রছাত্রীদের পাশে থেকে কাজ চালিয়ে যাবে।

রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের ইতিহাস তাই কোনো আলাদা ঘটনা নয়, বরং এই ইতিহাস বিজ্ঞান, রাজনীতি আর ভাষার এক ত্রিবেণী সঙ্গমের। যেখানে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের স্বদেশী চেতনা, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, মেঘনাদ সাহাদের মাতৃভাষা প্রীতি এবং SFI-এর প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের লড়াই, সবই একবিন্দুতে এসে মিলেছে। আজও যখন এই ক্যাম্পাসের কোনো ছাত্র ল্যাবরেটরিতে মাইক্রোস্কোপে চোখ রাখেন, আর বাইরে মিছিলে তাঁর সহযোদ্ধারা মাতৃভাষায় স্লোগান দেন, তখন বোঝা যায় যে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ তার সেই পুরনো জেদ আর আদর্শকে হারায়নি। এই দীর্ঘ ইতিহাস আমাদের এটাই শিখিয়েছে যে, শিকড়কে ভুলে গিয়ে কোনো বড় শিখরে ওঠা সম্ভব নয়, তা সে বিজ্ঞানের গবেষণাগারেই হোক বা রাজনীতির ময়দানে।রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ তাই বাঙালি সহ আপামর ভারতবাসীর কাছে একাধারে বিজ্ঞানের মক্কা আর আন্দোলনের লাল দুর্গ।

দ্যা লেগ্যাসি উইল কন্টিনিউ..


Ballygunge Science College Campus Unit

Write campus details here.


Hazra Law College Campus Unit

Write campus details here.


Technology Campus Unit

Write campus details here.


Alipore Campus Unit

Write campus details here.


Katakol (Economics) Campus Unit

Write campus details here.


Biharilal Campus Unit

Write campus details here.


Music Campus Unit

Write campus details here.